বিয়ের আসরেই অন্য নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে মার খেয়েছিলেন পলাশ

Share

গত নভেম্বর থেকে ভারতীয় ক্রিকেট সেনসেশন স্মৃতি মান্ধানার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। আচমকা বিয়ে বাতিলের খবরে তোলপাড় হয়েছিল নেটদুনিয়া। স্মৃতি বা পলাশ মুচ্ছল—উভয়েই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিবৃতি দিলেও, আসল কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা ছিলই।

তবে এবার সেই ধোঁয়াশা কাটাতে গিয়ে এক বিস্ফোরক ও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনলেন স্মৃতির বন্ধু বৈভব মানে। তার দাবি, শুধু প্রতারণা নয়, বিয়ের দিনই এক ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছিলেন সুরকার পলাশ। স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন পলাশ একাধিক নারীর সঙ্গে জড়িত ছিলেন—এমন গুঞ্জন আগেই ছিল। এবার সেই গুঞ্জনে সিলমোহর দিয়ে বৈভব জানালেন বিয়ের দিনের সেই ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, ‘‘পলাশ বিয়ের দিন অন্য মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ধরা পড়ে। তার পরে স্মৃতির ক্রিকেটার বন্ধুরা মিলে মারধর করে ওকে।

আমি নিজের চোখে সবটা দেখেছি। আমি ভেবেছিলাম, ও বিয়ে করে সাংলিতে থাকবে। ওকে বিশ্বাস করেই ভুল করেছি।’’ বৈভবের এই দাবি সত্য হলে, কেন বিয়েটি মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে গিয়েছিল, তার উত্তর এতদিনে স্পষ্ট হলো ভক্তদের কাছে। তবে পলাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এখানেই শেষ নয়। হৃদয়ের পাশাপাশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার পলাশের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকার প্রতারণার অভিযোগ আনেন এই বৈভব।

তিনি জানান, ‘নজরিয়া’ নামের একটি ছবির চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল পলাশের কাঁধে। কথা ছিল কাজ শেষে ছবিটি ওটিটিতে মুক্তি পাবে। সেই বাবদ কয়েক কিস্তিতে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে পলাশকে ৪০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন প্রযোজক বৈভব। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও ছবি মুক্তি বা টাকা ফেরত—কোনোটিই করেননি পলাশ। একদিকে পরকীয়া, অন্যদিকে আর্থিক প্রতারণা—সব মিলিয়ে বড়সড় বিপাকে এই সুরকার।