ভারতীয় সংগীত ও চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি কিশোর কুমার নিজের মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেই নাকি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। ছেলে অমিত কুমারের স্মৃতিচারণে উঠে এসেছে এই চমকপ্রদ তথ্য।
মৃত্যুর আগে স্ত্রী লীলাদেবীকে ডেকে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছিলেন কিশোর। তবে স্ত্রী বিষয়টিকে গুরুতরভাবে নেননি; কিশোরের রসিক স্বভাবের কারণে তিনি ভেবেছিলেন, হয়তো মজা করছেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই আচমকা অসুস্থ হয়ে মারা যান এই কিংবদন্তি শিল্পী।
১৯২৯ সালের ৪ আগস্ট মধ্যপ্রদেশের খাণ্ডোয়ায় জন্ম নেওয়া কিশোর কুমারের আসল নাম ছিল আভাস কুমার গাঙ্গুলি। গান, অভিনয়, সুর ও চলচ্চিত্র নির্মাণ—সব ক্ষেত্রেই তিনি রেখে গেছেন অনন্য অবদান। ‘পাল পাল দিল কে পাস’, ‘রূপ তেরা মাস্তানা’, ‘মেরে সামনেওয়ালি খিড়কি মে’সহ অসংখ্য কালজয়ী গান আজও শ্রোতাদের কাছে সমান জনপ্রিয়।
১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর ৫৮ বছর বয়সে মারা যান কিশোর কুমার। ক্যারিয়ারে শ্রেষ্ঠ গায়ক হিসেবে আটবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।