কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আর কল্পবিজ্ঞানের বিষয় নয়; সিনেমার চরিত্র, কণ্ঠ, ভিএফএক্স থেকে শুরু করে চিত্রনাট্য ও পুরো সিনেমা তৈরিতেও এর ব্যবহার হচ্ছে। কম খরচে ও দ্রুত কাজের সুযোগ তৈরি হওয়ায় এআই বিনোদনশিল্পে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে। তবে এর সঙ্গে তৈরি হয়েছে নানা শঙ্কাও। অভিনেতার মুখ ও কণ্ঠ নকল, ডিজিটাল ডাবল, কপিরাইট লঙ্ঘন এবং কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার আশঙ্কা শিল্পীদের উদ্বিগ্ন করছে। হলিউড থেকে বলিউড—তারকারাও এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্ক করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইকে পুরোপুরি হুমকি বা বিকল্প হিসেবে দেখার চেয়ে সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহার করাই ভবিষ্যতের পথ। কারণ প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, মানুষের আবেগ, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার জায়গা এখনো অটুট।