এলোমেলো ভাবনা, অগোছালো শব্দের আঁকিবুঁকি,
পরিকল্পনাহীন জীবনে যৌবনের রঙ দেয় উঁকি।
আজন্ম চাওয়া জলের নকশা, স্বপ্নের হিজিবিজি,
ফেলে আসা অতীত আজও হামাগুড়ি দেয় বিধ্বস্ত ভঙ্গিতে।
পিঞ্জরে রইল না কোনো ময়না পাখি—
যা গত হয়েছে, অবহেলার সাক্ষী।
শেকড়-নির্যাসিত রসের স্বাদ নিতে
ছুটে চলেছি তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে,
দলছুট এক বলাকা, প্রেমিকের বেশে।
প্রতিটি মুহূর্তে কষ্টের রেখায় জীবন দগ্ধ,
নির্লজ্জ আঘাতে কেবল ক্ষত-বিক্ষত।
সাদা জার্সিতে শব্দের মিছিল নিয়ে
আমি চিৎকার করে বলব—
নিশ্চিহ্ন হোক অহংকারীদের অস্তিত্ব,
মুছে যাক মিথ্যে ভালোবাসার সমস্ত কৃত্রিম মুখ।
প্রেম নামক প্রলয়ংকরী বিভীষিকার নির্মম দহনে
যেন আর কোনো হৃদয় না হয় দগ্ধ।
আজ অনন্ত শূন্যতায় কোনো পিছুটান নেই,
ফিরে তাকানোর মতো কোনো পথও নেই।
সবকিছু যেন শুষে নিয়েছে
শ্রাবণের প্রথম প্রলয়—
আর আমি দাঁড়িয়ে আছি
ধ্বংসস্তূপের ভেতর,
নিজেরই অন্তর্দহনের
শেষ সাক্ষী হয়ে।