আমাকে চলে যেতে হবে, খুব সন্ধ্যায়, কিংবা পূর্বাহ্ণ…
শিশির ভেজা আলপথ ডিঙিয়ে, দুর্বাঘাস পেরিয়ে…
আঁকা বাঁকা পথ ধরে, নদীদ্বারের শরৎ বিকিয়ে..
পানি নিংড়ানো পাখির ঠোঁটে আকাশের পুব কোনের বাতাসে..
চরন চিহ্ন ফেলে, চলে যাবো, অনেক দূরে..বহু দূরে…….
বর্ষার প্লাবনে, এলোমেলো গ্রহনার মধ্যখানে, চলে যাব!
……………………………………………………………….
ওই যে দেখো, সন্ধ্যায় ঘরে ফেরা একটি গোধূলি কাক…
কুয়াশার আদলে তার প্রতিচ্ছবি, রূপভেদী, যেন মৃত্যুর আত্মা…
সে কেমন যেন অসহায়..? কাকে যেন খুঁজে… এই অসময়ে…
আমার নগ্ন দুটি পায়ের তালু ভিজে যাচ্ছে শিশির ফোঁটায়….
পায়ের গোঁড়ালি কৃষকের তোলা কাদা মাটিতে ঠাঁই নিচ্ছে….
তবুও আমাকে চলে যেতে হবে, অনেক দূরে, বহুদূরে, ভরঘুরে…
……………………………………….
কলাপাতার বাতাসে হেমন্ত হারিয়ে যাচ্ছে শত বকের ভীড়ে..
কালো মেঘেরা ভেসে যাচ্ছে, হিমালয়ের দেশে, এক অদৃশ্য পাড়ায়!
আর কতদুর যাবো..? কতদুরে?.. ওই নীল নদীটার কাছে….
সাদা ঢেউয়ের কাছে,আর ফিরবো না ঘরে, চলে যাবো, দুরে..
আর ফিরবো না কভু শিমুল তলে, বিস্তর বিছানো সবুজ মাঠে!
চলে যাব,আমাকে যেতে দাও ধরনী! যেতে দাও,পথ ধরে রেখো না…