এক প্রাচীন পথ,
এর সৃষ্টির রহস্য আমার জানা নেই ।
হয়তো দীর্ঘকাল যাবৎ পড়ে আছে ।
কে জানে, এই পথে কত প্রজন্মের পদচিহ্ন মিশে গিয়েছে?
পাশে বহমান ধলেশ্বরী নদী ।
যার তীরেই আমার নাড়ির শিকড় ।
শৈশবে মায়ের আঁচল ধরে পূর্ণিমার চাঁদ দেখেছি,
নির্মল বাতাসে প্রাণভরে প্রশ্বাস নিয়েছি,
বিস্তীর্ণ তুলা ক্ষেতে দুরন্তপনায় মেতে ওঠেছি,
বাবার হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল ধরে বহুবার এই জীর্ণ পথে হেঁটেছি ।
এখনো নিশ্চল পথটি প্রকৃতির নিস্তব্ধতাকে সঙ্গী করে মহাকালের সাক্ষী হয়ে আছে ।
যেখানে আমি আজো হেঁটে যাই ।
কিন্তু, মা-বাবা নেই!
শূন্যতার তীব্র কষ্ট অনুভব করি ।
এক দীর্ঘশ্বাস ফেলি ।
তবুও, মধুর স্মৃতিবিজড়িত এই পথে
এখনো আমি মা-বাবার শরীরের গন্ধ পাই ।