আরাধ্যা বচ্চনের স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছড়ানো ভুয়া খবরের মামলায় দিল্লি হাইকোর্টে নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন উঠেছে। আদালত জানতে চেয়েছে, কোনো পরিবারের নাম ও সুনাম কি ট্রেডমার্কের মতো প্রজন্মের পর প্রজন্ম আইনি সুরক্ষা পেতে পারে?
২০২৩ সালে বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলে আরাধ্যার গুরুতর অসুস্থতা, হাসপাতালে ভর্তি এমনকি মৃত্যুর মতো ভিত্তিহীন খবর ছড়িয়ে পড়ে। এসবের বিরুদ্ধে বাবা অভিষেক বচ্চনের মাধ্যমে আদালতের দ্বারস্থ হন আরাধ্যা। ওই বছরের এপ্রিলে আদালত একাধিক চ্যানেলকে এমন কনটেন্ট প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দেয় এবং শিশুর মর্যাদা ও ব্যক্তিগত অধিকারের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে।
সাম্প্রতিক শুনানিতে আদালত আরও প্রশ্ন তোলে, মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশকে মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন বলা যায় কি না। পাশাপাশি বচ্চন পরিবারের দীর্ঘদিনের অর্জিত ‘গুডউইল’ পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেত্রেও কতটা আইনি সুরক্ষা পেতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি সেপ্টেম্বরে হওয়ার কথা রয়েছে।